"দৈনিক কাউনিয়া "অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে কাউনিয়ার সকলকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা...........

Thursday, December 14, 2023

কাউনিয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা 

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি মো. আমজাদ হোসেন -রংপুরের কাউনিয়া মোফাজ্জল হোসেন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মিনারে বৃহস্পতিবার সকালে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক বীর মুক্তিযোদ্ধা কোম্পানি কমান্ডার সর্দার আব্দুল হাকিম, কাউনিয়া কলেজ অধ্যক্ষ ফারুক আজম, থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ,মোফাজ্জল হোসেন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ সহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা হয়।



Tuesday, December 12, 2023

 কাউনিয়ায় লাইন চেঞ্জিংয়ের সময় ট্রেন লাইনচ্যুত

মো:আমজাদ হোসেন ,কাউনিয়া , রংপুর প্রতিনিধি: ঘন কুয়াশার কারণে রংপুরের কাউনিয়ায় লাইন চেঞ্জিংয়ের সময় ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় লালমনিরহাট রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার(১২ ডিসেম্বর) সকাল ৬ টা ৪০ মিনিটে এই লাইনচ্যুতের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউনিয়া রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার হোসেন মোবারক। স্থানীয় ও স্টেশন মাস্টার সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা ২০ ডাউন বগুড়া কমিউটার লোকাল ট্রেনটি কাউনিয়া পূর্বে কেবিন (তিস্তা পার হয়ে) পৌঁছায়। পরে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে কাউনিয়া স্টেশনে লাইন চেঞ্জিং এর সময় চেঞ্জিং পয়েন্ট কুয়াশার কারণে ভালোভাবে দেখা না যাওয়ায় লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় তিনটা লাইনই ছিড়ে সামনের ইঞ্জিন বাঁকা হয়ে ইঞ্জিনের সামনের চাকা গুলো লাইন থেকে পরে যায়। এতে ইঞ্জিন ও পেছনের বগিসহ ২ টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোন ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে সাময়িকভাবে অন্যান্য স্থান থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন কাউনিয়ায় আসতে পারবে না কিংবা কাউনিয়া থেকেও কোনো ট্রেন ছেড়ে যেতে পারবে না। এ বিষয়ে কাউনিয়া রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার হোসনে মোবারক বলেন, সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। আশা করছি দ্রুত সংস্কার শেষে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

Sunday, December 10, 2023

 ঘন কুয়াশার প্রভাবে মানুষ বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছে

 

 তুহিন ,কাউনিয়া বাজার ( রংপুর) প্রতিনিধি-অগ্রহায়ণ শেষে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় রংপুর। তিস্তা-ঘাঘট, করতোয়া-যমুনেশ্বরী ঘেরা জেলার প্রকৃতি ঘন কুয়াশায় ঢাকা। সকালে সূর্য উঠলেও কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশে আলোর ঝিলিক নেই। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কুয়াশার কারণে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। নগরীর খাড়া রাস্তাগুলোও ঘন কুয়াশার শিশির বিন্দুতে ভেজা। কুয়াশায় কুয়াশায় ঘোলাটে হয়ে উঠেছে সবুজ প্রকৃতিও।এ অবস্থায় ভোর থেকেই সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ছোট-বড় যানবাহনগুলোকে। দুর্ঘটনা এড়াতে রেলপথে ট্রেনের গতিও কমানো হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে ট্রেন চলাচলের আশঙ্কা রয়েছে।এদিকে সকাল থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত রংপুর নগরের শাপলা চত্বর, নতুন আদর্শপাড়া, বাবুখান, কামারপাড়া, লালবাগ, টার্মিনাল রোডসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকজনকে কাজে যেতে দেখা গেছে। সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা কম থাকায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। এ কারণে তাঁদের অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে।রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত রংপুরে তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সূর্যোদয় হয় ভোর ৬:৪০ মিনিটে। তবে সকাল দশটা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।রোববারের তুলনায় আজ তাপমাত্রা বাড়লেও কুয়াশার ঘনত্ব কমেনি। রোববার রংপুরে তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মূলত কুয়াশা কেটে গেলে শীত বেড়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড.আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত রংপুর বিভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিমলায় ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং গাইবান্ধায় ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসে সড়কে আটকা পড়া অসহায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। এই কুয়াশা বাড়লেও তা মনে করিয়ে দিচ্ছে ঠান্ডা স্রোতের কথা।শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন এ জেলার শীতার্ত, অসহায় ও দরিদ্র মানুষ। বিশেষ করে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়েছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছে নদী তীরবর্তী ও বিক্ষিপ্ত মানুষ। যেন তাদের কষ্টের শেষ নেই। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রেই শীতের প্রভাব পড়েছে।রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরের খান অভুমুখী মার্কেটের মুরগি বিক্রেতা মামুন মিয়া জানান, তীব্র শীতের কারণে বেচাকেনা অনেকটাই কমে গেছে। হাড় কাঁপানো শীতে জীবিকার জন্য দোকান খোলা থাকলেও তেমন লাভ হচ্ছে না।কামারপাড়া এলাকার নবীন ইসলাম বলেন, শিশুদের সকাল সাতটায় উঠে স্কুলে নিয়ে আসতে হয়। তার ছোট মেয়ে ও গত কয়েকদিন ধরে ঠান্ডায় ভুগছে। এমনকি তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান।এদিকে ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে প্রতিদিনই উত্তরাঞ্চলের অসংখ্য মানুষ রংপুর মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি। এছাড়া আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টায় অনেকেই দগ্ধ হয়ে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন।এদিকে, প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ নারী, পুরুষ ও শিশুদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার জন্য মেডিকেল টিমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ ওয়াজেদ আলী জানান, শীতের রোগে আক্রান্ত শিশু, মহিলা ও বৃদ্ধদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া রয়েছে মনিটরিং টিম।অন্যদিকে কৃষি জমিতে কাজের জন্য কৃষি শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না, যাদের পাওয়া যাচ্ছে তাদের বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। সার, বীজ ও সেচের পাশাপাশি কৃষি শ্রমিকদের মজুরিতে বাড়তি খরচ হয়।এমন ঘন কুয়াশা থাকলে কৃষির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান কৃষকরা। শীতকালে সব সময়ই বোরো বীজ ও রবিশস্যের ক্ষতি হয়। ঠান্ডা আঘাত এবং পচা সঙ্গে প্লেগ বিশেষ করে বৃদ্ধি.রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনামুল হক বলেন, কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং তাদের করণীয় সম্পর্কে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে।অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে।এ প্রসঙ্গে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, শীতের শুরুতে রংপুরে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে বিতরণের জন্য ৪৫ হাজার কম্বল দেওয়া হয়েছে।

 কাউনিয়ায় কুকুরের কামড়ে শিশু সহ আহত ১৫ জন 

মো. আমজাদ হোসেন কাউনিয়া( রংপুর)প্রতিনিধি- কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বে-ওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। একসাথে ৫-৭ টি কুকুর দলবেঁধে পথচারীদের উপর আক্রমণ চালাচ্ছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুরা কুকুরের আক্রমণের শিকার হচ্ছে বেশি। উপজেলার বেশ কয়েক টি এলাকায় একদিনে কুকুরের কামড়ে শিশু মহিলা সহ ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নেয়া হয়েছে। আহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে বুধবার দিনব্যাপী উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের ভায়ারহাট সদরাতালুক গ্রামের শিশু সোহানা(৪) তালুক শাহবাজ গ্রামের হাবিব (৭) আব্দুল হামজা(২)হোসনা(২৩)রুবিনা(৩)মিশু(৪)মাহাদি(৪) বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিশ্বর গ্রামের রেজাউল করিম (১৫) সামিহা(৩) বাশিরন(৪০) নাসরিন (৮) সহ ১৫ জন কে কুকুর কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কুকুর কামড়ানো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় সাধারণ দরিদ্র মানুষেরা বিপাকে পড়েছে। তবে সামর্থ্যবান মানুষ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন ঔষধের দোকান ক্রয় করে শরীরে পুশ করছে। বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনসার বলেন পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সহায়তায় বে-ওয়ারিশ কুকুরে বিষয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মেডিকেল অফিসার ডা. সাব্বির আহমেদ জানান কুকুর কামড়ানো ভ্যাকসিন সংকট থাকায় রংপুর সদর হাসপাতাল অথবা রংপুর সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ ধরনের রোগীকে ৫ টা করে ভ্যাকসিন দেয়া লাগবে তিনি আরোও জানান এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিদুল হক বলেন হাইকোর্টের নির্দেশ কুকুর মারা যাবেনা। চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে এলাকাবাসীর সহায়তায় কুকুরগুলোকে ধরার জন্য। কুকুর থেকে সবাই কে সতর্ক থাকতে হবে।