"দৈনিক কাউনিয়া "অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে কাউনিয়ার সকলকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা...........

Wednesday, November 1, 2023

কাউনিয়া থানা সড়কের ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে

 নিউজ ডেস্ক –দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে কাউনিয়া থানা সড়কের পানি নিষ্কাশন ড্রেনের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।

 থানা সড়কের জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম মায়া।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিদুল হক, শহীদ বাগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নান, বালাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আনছার আলী, সরাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান জেমি, থানা অফিসার ইনচার্জ মনতাছের বিল্লাহ, আলো পত্রিকার সম্পাদক সাওয়ার আলম মুকুল, সমাজসেবা কর্মকর্তা সামিউল আলম প্রমুখ।

দীর্ঘদিন ধরে থানা রোডে পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় পথচারী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তার পানিতে পথচারীদের চলাচল করতে হয়েছে।

ঔষধি গাছ শ্বেতদ্রোণ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে

দৈনিক কাউনিয়া নিউজ ডেস্ক –

 এখন উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে শ্বেতদ্রোণ নামের ঔষধি গাছ খুব একটা দেখা যায় না। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গাছটি বিভিন্ন নামে পরিচিত। কিছু অঞ্চলে এটি 'মধু গাছ' বা 'কাঁশিসা' এবং অন্যদের 'কংসিকা' নামে পরিচিত। তবে এই গাছের আসল নাম 'শ্বেতদ্রোণ'।

এ গাছের উচ্চতা ১ থেকে দেড় মিটার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কয়েকটি গাছ একসঙ্গে ঝোপে জন্মে। এই গাছ সারা বছরই দেখা যায়।

এর আদর্শ ফুলের সময় মার্চ এবং মে। ছোট সবুজ পাতা। গাছের ফাঁকে সাদা ফুল। মৌমাছিরা মধুময় ফুলের ঝাঁক। পথ ও পতিত জমিতে জন্মানো এই গাছ বাতাসে দুলছে।

এই ছোট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে। এর সাদা ফুল মুখে নিলে মিষ্টি স্বাদ হয়। পাতা চিবিয়ে খেলে মুখে তিক্ত স্বাদ আসবে। কিছু কিছু এলাকায় সবজি হিসেবেও রান্না করা হয়। ছোট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদকে 'স্বেতদ্রোণ' বা 'দণ্ডকালাস' বলা হয়। সম্প্রতি রংপুর নগরীর ৩নং ওয়ার্ডের আশপাশের এলাকাসহ বিভিন্ন রাস্তার পাশে ও অনাবাদি জমিতে দন্ডকলের বিচরণ দেখা গেছে।

কাইজেলিয়ার বিরল প্রজাতির চারা উৎপাদনকারী ও কারমাইকেল কলেজের সাবেক মালি বাটুল সিং জানান, দিন দিন দণ্ডকলের চারা কমে যাচ্ছে। আগে এই গাছ রাস্তার ধারে, পথ, পতিত জমি এবং বিভিন্ন ফসলের বাগানে ব্যাপকভাবে দেখা যেত। এই গাছ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

লালমনিরহাটের কাকিনা এলাকার কৃষক হযরত আলী জানান, প্রাকৃতিক পরিবেশে দন্ডকল জন্মে। এটি চাষ বা রোপণ করতে হবে না। এটি সাধারণত মাটি থেকে প্রায় এক হাত লম্বা হয়। এই গাছের পাতা গাঢ় সবুজ রঙের এবং কাণ্ড হালকা সবুজ। পরিপক্ক উদ্ভিদে ফ্যাকাশে সাদা ফুল থাকে। ফুলের মধু মিষ্টি, তাই মৌমাছিরা এর প্রতি আকৃষ্ট হয়। গ্রামের শিশুরা মিষ্টি লোভের এই ফুল মুখে নিয়ে মিষ্টির স্বাদ নেয়।

হাকিম শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, একসময় গ্রামীণ ওষুধে দণ্ডকলের ব্যাপক ব্যবহার ছিল। এগুলো এখনো ভেষজ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই গাছের কথা জানে না। সর্দি, কাশি, ব্যথা, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগের ভেষজ ওষুধ হিসেবে এই গাছটি ব্যবহৃত হয়।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড.তুহিন ওয়াদুদ বলেন, শ্বেতদ্রোণ বা দন্ডকল গাছের গুণাগুণ না জানার কারণে আমরা কদর করি না।

Tuesday, October 31, 2023

 "দ্রবমূল্যের লাগামহীন উর্ধগতিতে ভুগছেন খেটে খাওয়া মানুষ" 

 টেপামধুপুর  প্রতিনিধি  মোঃ রেজওয়ান কবির রিজভী

আজ কাউনিয়া উপজেলার ৬নং টেপামধুপুর ইউনিয়ন এর টেপামধুপুর বাজারে গিয়ে বিভিন্ন নিম্ন আয়ের মানুষের সাথে কথা বলে "দৈনিক কাউনিয়া ডট কম" এ সময় তারা তুলে ধরে তাদের জীবন সংগ্রামের প্রতিদিনের দুঃখের কথা। এসময় কথা বলেন দিন মজুর এক রিক্সাওয়ালা নাম তার মোঃজাকির হোসেন। দ্রব্য মুল্যের উর্ধগতিতে কেমন চলছে তার দৈনিক জীবন এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান "কি কইম ভাই দুঃখের কথা হামার গুলাক দেখার কায়ো নাই,প্রতিদিন যেটা কামাই করি প্রতিদিন এ শ্যাস হয়া যায়,কোনো ভাবে সংসার চালবার পাবারনাকছিনা খুব কষ্ট হচ্ছে সংসার চালাতে, তিনি আরও জানান প্রতিদিন যে টাকা ভাড়া মারি তা নিয়ে যখন বাজার করতে যাই দাম শুনে মাথায় হাত দিতে প্রতিদিনই বাড়ছে দাম, চাল ডাল কিনতে টাকা শেষ হয়ে যায়। মাছ গোসত তো এখন স্বপ্নের মত লাগে,সবাই বলতো পাংগাস গরিবের মাছ এখন সেই পাংগাস কেনারো সামর্থ হয় না,আগে সপ্তাহে একদিন অন্তত ব্রয়লার মুরগী খেতে পারতাম এখন মাসেও একবার পাই না গরুর গোস্তের তো ধারের কাছে যাইতে পারি না এক বছর পর পর একবার খাওয়া হয় তাও কিনে নয় ঈদ মানুষ দান করে সেগুলো, প্রতিদিন ভর্তা ভাত খেয়ে কোনো রকমে বেচে আছি,ছেলে মেয়ের লেখা পড়া করাইতেও পারছি না খুবই কষ্টে আছি।" জাকির হোসেনের মত আরও অনেকের কাছে শুনি তাদের দৈনিক জীবন মান সম্পর্কে সবাই দ্রবমুল্যের এই লাগামহীন সময়ে খুবই কষ্টে আছে। 

Sunday, October 29, 2023

খেলা

 বিশ্বকাপে টানা পাঁচবার হেরেছে বাংলাদেশ

 গত শনিবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে লজ্জাজনক হার দেখেছে সাকিব আল হাসানের দল।প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর টানা হেরে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করে নেদারল্যান্ডস ২২৯ রানের টার্গেট দেয়। সেই রান তাড়া করতে গিয়ে ৮৭ রানে পরাজিত হয় টাইগাররা।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ হয় নেদারল্যান্ডসের। তিন ওভারে দুই ওপেনার আউট হন। পরের জুটিতে দলকে নেতৃত্ব দেন ওয়েসলি বারেসি ও অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। ৪১ রান করে আউট হন বারেসি।

উইকেট হারানোর পর কিছুটা চাপে পড়ে নেদারল্যান্ডস। তবে, এডওয়ার্ডস সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখটের সাথে একটি বড় জুটি তৈরি করেছিলেন। এডওয়ার্ডস ৬৮ রান করে আউট হন এবং এঙ্গেলব্রেখট ৩৫ রান করেন।শেষ ওভারে বাউন্ডারি মেরে ৫০ ওভারে ২২৯ রান করে নেদারল্যান্ডস। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদি হাসান। সাকিব নেন একটি উইকেট।জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মরিয়া লিটন দাস, তানজিম হাসান। সাকিব করেন ৫ রান। ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন মিরাজ। মাত্র ৭০ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা।

পরাজয়ের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু ২০ রানে ফিরে যান তিনি। এরপর মুস্তাফিজুর ও তাসকিনের খেলা শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। অবশেষে 42.2 ওভারে 142 রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

 

উত্তরের অর্থনীতি সবজি চাষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়

নিউজ ডেস্ক – কৃষকরা বাজার মূল্যের অর্ধেক পাচ্ছেন। অর্ধেক দাম পেয়ে খুশি এ অঞ্চলের কৃষকরা। রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি আবর্তিত হয়েছে সবজি চাষকে ঘিরে। তিনি শাকসবজি চাষ করে অর্থনীতিতে ১২ হাজার কোটিরও বেশি যোগ করেছেন। অনুকূল পরিবেশ থাকায় এ অঞ্চলের বড়, ছোট, বর্গা ও প্রান্তিক চাষিরা খরিপ-১, খরিপ-২ ও রবি মৌসুমে ১ লাখ ৮০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে সবজির আবাদ করেছেন। মিঠাপুকুর উপজেলার কৃষক হাবিবুর রহমান, আশরাফুর ইসলাম, কাউনিয়া উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের আফজাল হোসেন, পীরগাছার বুলবুল মিয়াসহ বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে তারা জানান, সবজি চাষের ফলে তাদের সংসার স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়ে উঠেছে। তারা সবাই এখন স্বাবলম্বী। এখন আর সবজি বিক্রি করতে বাজারে যেতে হয় না। বাড়ির আঙিনা থেকে সবজি কেনেন ব্যবসায়ীরা। দামও ভালো। এসব ব্যবসায়ী ঢাকা চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে সবজি সরবরাহ করেন। এছাড়াও খরিপ-১ মৌসুমে ধরস, পটল, চিচিঙ্গা, পুই শাক, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, পানি কুমড়া, চাল কুমড়া ইত্যাদি। রবি মৌসুমে মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাল শাক, পালং শাক, পুঁই শাকসহ অন্যান্য সবজি চাষ করে ভালো লাভ পাচ্ছেন কৃষকরা। এখন উত্তরাঞ্চলের মহাসড়কের পাশে দাঁড়ালে দেখা যায়, বিভিন্ন হাটবাজারের পাশে ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে সবজি কেনার জন্য। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত এসব ট্রাক সবজি নিয়ে দেশের অন্যত্র চলে যাচ্ছে। কৃষকরা জানান, এক একর জমিতে লাউ চাষ করে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকা লাভ হয়েছে। অন্যান্য সবজিতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রবি ও খরিফ মৌসুমে ১৮০,০০০ হেক্টর জমি থেকে করলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাল শাক, পুঁই শাক, মুলা, টমেটো, কুমড়া ও অন্যান্য শাকসবজি প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন। উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষকের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ২০ মেট্রিক টন। কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি সবজির সর্বনিম্ন দাম ছিল ৩৫ টাকা এবং প্রতি মেট্রিক টন বিক্রি হয়েছে ৩৫ হাজার টাকায়। সে অনুযায়ী দুই মৌসুমে ৩ দশমিক ৬ লাখ মেট্রিক টন সবজির দাম ১২ হাজার কোটি টাকার ওপরে। রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল জানান, প্রতি হেক্টরে বিভিন্ন ধরনের সবজির গড় উৎপাদন ২০ দশমিক ৭ মেট্রিক টন। কোনো জমি ফেলে রাখা যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই পতিত জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে। সরকার সবজি চাষিদের জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়ায় উত্তরাঞ্চলের সবজি চাষিরা এসব ভালো দাম পেয়েছেন। এছাড়া সরকারের পুষ্টি বাগান কর্মসূচির সবজি চাষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।


সদর

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: রংপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন

নিউজ ডেস্ক –

রংপুরে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এবিএম আবু হানিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ১৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট 910 জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। 891 জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন। আর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪ জন।

অধিদফতরের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এবিএম আবু হানিফ বলেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জনসচেতনতামূলক প্রচারণার পাশাপাশি আমরা জেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু রোগী শনাক্তকরণসহ চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।